জাতীয় পার্টির যুগ্ম মহাসচিব পদ থেকে নূরুল ইসলাম কে বাদ দিতে যুবলীগের আল্টিমেটাম

প্রকাশিত: 12:07 AM, January 26, 2020

জাগ্রত বাংলাদেশ

স্টাফ রিপোর্টার ॥
গাজীপুরের সাবেক সংসদ সদস্য শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলার ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামী জাতীয় পার্টির যুগ্ম মহাসচিব নূরুল ইসলাম দিপুকে আগামি তিন দিনের মধ্যে ওই পদ থেকে বাদ দিতে আল্টিমেটাম দিয়েছেন গাজীপুর মহানগর যুবলীগের নেতৃবৃন্দ।

শনিবার বিকালে গাজীপুর মহানগর যুবলীগের উদ্যোগে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভায় এ ঘোষণা দেন যুবলীগ নেতারা। মহানগর যুবলীগের আহবায়ক কামরুল আহসান সরকার রাসেলের সভাপতিত্বে শহরে দলীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন মহানগর আওয়ামীলীগের সহসভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ নয়ন, মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক আলমগীর হোসেন, সাইফুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা আতিকুর রহমান রাহাত খান, জামাল উদ্দিন সরকার, মীর ওসমান গণি কাজল, ইকবাল মাস্টার, মেহেদি হাসান নাহিদ, দেলোয়ার হোসেন, মহানগর শ্রমিকলীগের যুগ্ন আহবায়ক মো: মাহফুজুর রহমান, শ্রমিক নেতা আব্দুল জলিল, পূবাইল থানা ছাত্রলীগের সভাপতি গোলজার হোসেন মৃধা টুটুল প্রমুখ।
সমাবেশ থেকে ঘোষণা দেয়া হয়, আগামি তিন দিনের মধ্যে নূরুল ইসলাম দিপুকে জাপার যুগ্ম মহাসচিব পদ থেকে অপসারণ না করলে গাজীপুরে যেখানেই জাতীয় পার্টির নেতা কর্মীদের দেখা যাবে সেখানেই তাদের প্রতিহত করা হবে। আওয়ামীলীগের কোন অনুষ্ঠানে যেন জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা অংশ না নেন।

সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল দলীয় কার্যালয় থেকে রাজবাড়ি সড়ক প্রদক্ষিণ করে শিববাড়ি মোড় ঘুরে পুনরায় দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে শেষ করেন।

আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলার মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি দিপুকে জাপার যুগ্ম সম্পাদক করায় টঙ্গী থানা আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠন গত কয়েকদিন ধরে বিক্ষোভ করে আসছিল। এক পর্যায়ে তারা টঙ্গীতে জাতীয় পার্টি ও এর নেতাদের অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে। শুক্রবার বিকালে তাদের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষুব্ধ লোকজন। দিপু বর্তমানে ইউরোপে পলাতক রয়েছেন। এর আগে তিনি জাপার সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন । ২০০৪ সালে আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যাকান্ড মামলায় আওয়ামী লীগের দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও বিএনপি ও জাপার নেতা কর্মীদেরকেও একই মামলায় আসামি করা হয়। দিপু তৎকালীন জাপার ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্র সমাজের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক  ছিলেন। মামলাটি বর্তমানে উচ্চ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।