জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এবারের বইমেলা হবে ইতিহাসের সেরা

প্রকাশিত: 7:32 PM, January 30, 2020

জাগ্রত বাংলাদেশ 

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী বলেছেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এবারের বইমেলা হবে ইতিহাসের সেরা বইমেলা।

বৃহস্পতিবার বাংলা একাডেমির আব্দুল করিম সাহিত্য বিশারদ অডিটোরিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। অমর একুশে গ্রন্থমেলা-২০২০ উপলক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক বলেন, আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি সৃজনশীলতার সমন্বয়ে চলবে অমর একুশে গ্রন্থমেলা। এবারের বইমেলা হবে আমাদের চেতনা এবং স্বপ্নের অংশ। সেই চেতনা এবং স্বপ্নকে প্রতিভাত করার জন্য এবারের বইমেলা হবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে উৎসর্গ করে। মেলায় প্রতিদিন যে আলোচনা অনুষ্ঠান হবে সেটা হবে বঙ্গবন্ধুকে ঘিরে। মেলার প্রথম দিন ‘আমার দেখা নয়া চীন’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আমরা পুরো মাসব্যাপী নানা মাত্রায় বঙ্গবন্ধুকে তুলে ধরার চেষ্টা করব।

হাবীবুল্লাহ সিরাজী বলেন, আমরা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ভাবলে ভাবি ৫২ এর ভাষা আন্দোলন থেকে ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত৷ কিন্তু উনি কত বড় মাপের লেখক ছিলেন তা কেউ বলেন না। আমরা নির্ভরযোগ‌্য বই আপনাদের উপহার দেবো। আগামীর বাংলাদেশ গড়ার জন্য এসব বই পড়া অত্যন্ত জরুরি।

বাংলা একাডেমির সদস্য সচিব জালাল আহমেদ বলেন, বঙ্গবন্ধুর নামে এবারের বইমেলা উৎসর্গ করছি। এ ক্ষেত্রে বিশাল ব্যাপার হলো আমরা বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ পাচ্ছি। এবারের বইমেলা বঙ্গবন্ধুকে কেন্দ্র করে যেভাবে বিন্যস্ত করা হয়েছে ইতিহাসে তা আগে কখনো করা হয়নি।

তিনি বলেন, ১৩ জানুয়ারিতে লটারির কাজ শেষ করেছি। গতকাল ২৯ তারিখে স্টল নির্মাণের কাজ শেষ। ১ তারিখ সকাল ১১টা থেকে ৫টা পর্যন্ত বই নিয়ে প্রবেশ করা যাবে। কালও করা যাবে। ২ তারিখ প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করার পর উন্মুক্ত করা হবে।

বাংলা একাডেমির সদস্য সচিব জানান, এবার মেলায় ‘বঙ্গবন্ধু পাঠাগার স্থাপন’ করা হবে। যেখানে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা অসংখ্য বই পাওয়া যাবে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে চার ভাগে ভাগ করা হবে। এসব ভাগকে বঙ্গবন্ধুর জীবনের বিভিন্ন অধ‌্যায়ের ভিত্তিতে সাজানো হয়েছে- শিখর, সংগ্রাম, মুক্তি ও অর্জন।

মেলায় প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য দুটি ফটক থাকবে। নামাজ পড়ার জায়গা ও টয়লেট ব্যবস্থাপনা হবে উন্নত। ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার ও হুইল চেয়ারের ব্যবস্থা থাকবে। দুটি ফুড কোর্ট থাকবে উদ্যানের পশ্চিম এবং পূর্ব কোণে। সেখানে খাবারের মান এবং দাম ক্রেতাদের সাধ‌্যের মধ‌্যে থাকবে। খাবারের মান রক্ষা না করলে ফুড কোর্ট বাতিল করা হবে।

বইমেলায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে স্বাস্থ‌্য বিভাগ সচেতন থাকবে বলে জানিয়েছেন জালাল আহমেদ।