৭ অভ্যাসে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আপনার যৌ’নাঙ্গ

প্রকাশিত: 10:55 AM, February 1, 2020

জাগ্রত বাংলাদেশ

কে না চায় একটি স্বাস্থ্যবান যৌ’নাঙ্গ পেতে? আপনি হয়তো ভাবতে পারেন আপনি নিজের যৌ’নাঙ্গকে সুস্থ্য রাখতে সব চেষ্টাই করে যাচ্ছেন। কিন্তু এমন কিছু অভ্যাস আছে যা আপনার পুরুষ’ত্বকে ধ্বংস করছে আপনার অজান্তেই। আসুন সেই অভ্যাসগুলো কী তা জেনে নিয়ে সেগুলোকে বদলানোর চেষ্টা করি।

১. নিষ্ক্রিয় জীবন যাপন

গবেষণায় দেখা গেছে যারা সক্রিয় জীবন-যাপন করেন এবং নিয়মিত ব্যায়াম করেন তাদের প্রজ’নন তৎপরতার হারও অনেক ভালো এবং বেশি হয়। অন্যদিকে যারা এই ধরনের জীবন-যাপন করেন না তাদের প্রজ’নন তৎপরতার হারও অনেক কম।

২. ধুমপান

ব্রিটিশ জার্নাল অফ ইউরোলজিতে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ধুমপান ত্যাগের ৮ সপ্তাহের এক কর্মসুচির ২০ শতাংশই স্বীকার করেছেন ধুমপানের কারণে তাদের প্রজ’নন তৎপরতায় সমস্যা হচ্ছে। কিন্তু যেই ৭৫ শতাংশ নিকোটিন মুক্ত ছিলেন তাদের প্রজ’নন তৎপরতায় পারফর্মেন্সের উন্নতি ঘটেছে।

৩. দাঁতের স্বাস্থ্য খারাপ

যাদের দাঁতের মাড়ির রোগ থাকে তাদের প্রজ’নন সক্ষমতা কমে যায়। যাদের যৌ’নাঙ্গের উত্থান হয় না তাদের মাড়ির রোগের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে ৭গুন বেশি। কারণ মুখের ব্যাকটেরিয়া দেহের মধ্য দিয়ে ভ্রমণ করতে পারে এবং জন’নাঙ্গের রক্ত সরবরাহের শিরা-উপশিরাগুলোকে আক্রান্ত করতে পারে।

৪. দেহের চাহিদা ও প্রয়োজনের তুলনায় কম ঘুমানো

আপনি যখন যথেষ্ট পরিমাণে ঘুমাবেন না তখন আপনার দেহের টেস্টোস্টেরন হরমোন নিঃসরণের হারও কমে আসবে। এর ফলে দেখা দিবে ক্লান্তি ও অবসাদ এবং এমনকি এত আপনার মাংসপেশি এবং হাড়েরও ঘনত্বও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ফলত আপনার যৌ’নাঙ্গও মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

৫. যথেষ্ট পরিমাণে প্রজ’নন তৎপরতায় লিপ্ত না হওয়া

যথেষ্ট পরিমাণে প্রজ’নন তৎপরতা যুগলভেদে ভিন্ন রকমের হয়। তবে আমেরিকান জার্নাল অফ মেডিসিন এর এক গবেষণায় দেখা গেছে, সপ্তাহে একবারের কম মিলন করলে পুরুষদের যৌ’নাঙ্গ উত্থানে সমস্যা দেখা দেয়। সপ্তাহে তিনবার দৈহিক মিলনে যৌ’নাঙ্গের স্বাস্থ্য সবচেয়ে ভালো থাকে।

৬. ট্রান্স ফ্যাট বেশি খাওয়া

আপনি যদি বেশি বেশি ট্রান্স ফ্যাটজাতীয় খাদ্য খান তাহলে আপনার শুক্রা’ণুর গুনগত মান নষ্ট হয়ে যাবে। সুতরাং ক্ষতিকর চর্বিবহুল খাবার খাওয়া বাদ দিয়ে শুক্রা’ণুকে স্বাস্থ্যবান রাখুন।

৭. অতিবেশি টিভি ও সিনেমা দেখা

এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা সপ্তাহে ২০ ঘন্টার বেশি টিভি, সিনেমা বা ইন্টারনেটে ভিডিও দেখেন তাদের বী’র্যে শুক্রা’ণুর হার ৪৪% কমে আসে।