মুজিববর্ষে বিতরণ হবে তিন লাখ পারিবারিক সাইলো

প্রকাশিত: 1:35 PM, February 11, 2020

জাগ্রত বাংলাদেশ

জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ ‘মুজিববর্ষ’কে সামনে রেখে দেশের দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় পরিবার পর্যায়ে খাদ্যশস্য সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়াতে তিন লাখ পারিবারিক সাইলো বিতরণ করা হবে। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ এ লক্ষ্যে কাজও শুরু করেছে।

২০১৮ সালের ৬ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ঝালকাঠি জেলা সদর, কাঁঠালিয়া ও নলছিটি উপজেলায় পারিবারিক সাইলো বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। এ ছাড়া পাঁচ হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতাসম্পন্ন আরো ২০০ সাইলো নির্মাণেরও উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

খাদ্য অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, মাঠপর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ ১৫টি স্থাপনায় ডিজিটাল ট্রাক ওয়েট ব্রিজ স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে। আধুনিক খাদ্য সংরক্ষণাগার প্রকল্পের আওতায় ৬টি বিভাগীয় শহর বরিশাল, খুলনা, সিলেট, রংপুর ও রাজশাহীতে একটি করে মোট ছয়টি ফুড টেস্টিং ল্যাবরেটরি নির্মাণের কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। রাজশাহী ছাড়া অন্য ৫টি বিভাগীয় শহরে এরই মধ্যে এর কাজ শুরু হয়েছে। খাদ্য অধিদপ্তর পরিচালিত সাইলোগুলোর কার্যকরী ধারণক্ষমতা বজায় রাখার লক্ষ্যে মেরামত ও সংস্কারমূলক উন্নয়ন কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, মুজিববর্ষ উপলক্ষে অনেক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে ডিজিটাল পদ্ধতিতে খাদ্য মজুদ ও বাজার মনিটরিং কার্যক্রম বাস্তবায়নে কাজ শুরু হয়েছে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে খাদ্যের মজুদ, সংরক্ষণ ও বাজার মনিটরিং কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে খাদ্য অধিদপ্তরের সাইলো, বিভিন্ন পর্যায়ের দপ্তরসহ এক হাজার ৬৪০টি স্থাপনায় আইসিটি যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হবে।

খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সারোয়ার মাহমুদ গণমাধ্যমকে বলেন, সাইলোর কাজ চলছে। প্রজেক্টেও মেয়াদ বাড়াতে হবে। তারপরও আশা করি আগামী এক-দেড় বছরের মধ্যেই শেষ হবে। আরো ২০০ সাইলো হবে। যেগুলো হবে ৫ হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতাসম্পন্ন। মুজিববর্ষকে সামনে রেখেই এর প্রাথমিক কাজ শেষ করতে চাই। এরপর মূল কাজটা শুরু করতে চাই।

বর্তমানে দেশে ৫টি বড় সাইলো, ১৩টি সেন্ট্রাল সাইলো (সিএসডি) এবং ৬৩১টি লোকাল সাইলো (এলএসডি) আছে। এসব সাইলো বা খাদ্য গুদামের বর্তমান ধারণক্ষমতা প্রায় ২০ লাখ টন।