ভালুকায় এক নারীর বাঁশের বাজার থেকে গলাকাটা লাশ উদ্ধার!

প্রকাশিত: 9:17 PM, March 1, 2020

জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক:

নসিংহের ভালুকায় জঙ্গল থেকে হেনা আক্তার (৪১) নামে এক নারীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার সকালে উপজেলার মেদুয়ারী কুমারঘাট সংলগ্ন বড় মেয়ে মিলি আক্তারের জামাই বাড়ির পশ্চিম পাশের জঙ্গল থেকে মডেল থানা পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে মর্গে প্ররণ করেছে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মেদুয়ারী গ্রামের রফিকুল ইসলাম রবির স্ত্রী। তিন সন্তানের জননী হেনা আক্তার একই গ্রামের কুমাড়কাটা পাড়া মেয়ের জামাই সাদ্দামের বাড়িতে শনিবার দুপুরে বেড়াতে গিয়ে রাতে মেয়ের শাশুড়ী সমলা আক্তার (৬০) ও নাতি শ্রাবনীকে (৭) নিয়ে পাশের রুমে ঘুমাতে যান। রাবিবার ভোরে  হেনা আক্তারকে ঘড়ে না পেয়ে পরিবার ও স্থানীয় লোকজন তাকে খোজা খুজির করে এক  পর্যায়ে বাড়ির পশ্চিম পাশের জঙ্গলায় গলাকাটা অবস্থায় লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে নিহতের লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলজ হাসপাতালে মর্গে প্ররণ করা হয়।
খবর পেয়ে ময়মনসিংহের সহকারী পুলিশ সুপার হায়দার আলী, ভালুকা মডেল থানার ওসি মাহাম্মদ মাইনউদ্দিন,তদন্ত খোরশেদ আলমসহ ময়মনসিংহ ক্রাইমসিন ইউনিটের ক্রিমিনাল ইটারগেশন (সিআইডি) ইন্সপেক্টর আবু ইউসুফের নেতৃত্ব একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেন।
নিহতের মেয়ে মিলি আক্তার জানান, তার মা শনিবার দুপুরে বেড়াতে এসে রাতে তার শ্বাশুরী ও শিশু মেয়ের সাথে ঘুমাতে গিয়ে রাতের কোন এক সময় দরজা খুলে ঘর থেকে বড়িয়ে যান।
স্থানীয় ইউপি সদস্য সিরাজুল ইসলাম জানান, হেনা আক্তার আট মাস আগে স্বামী আব্দুল মতিনকে ডিভোর্স দিয়ে ননদির জামাই রফিকুল ইসলাম রবির সাথে বিবাহ বন্ধন আবদ্ধ হওয়ার পর তারা বিভিন্ন স্থানে বাসা ভাড়া নিয়ে অবস্থান করছিলেন। শনিবার দুপুরে হেনা আক্তার তার মেয়ে জামাই বাড়ি বেড়াতে গিয়ে হত্যার শিকার হন।
ভালুকা মডেল থানার ওসি মাহাম্মদ মাইনউদ্দিন জানান, উদ্ধারকৃত নারীর লাশটি গলাকাটা অবস্থায় একটি জঙ্গল থেকে উদ্ধার করে মর্গে প্ররণ করা হয়েছে। হত্যারহস্য উৎঘাটনের জন্য পুলিশ ও সিআইডি এ ব্যাপারে তদন্ত করছেন। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রফতার সম্ভব হয়নি।  এ ঘটনায় এলাকার থেকে  তিন জনকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে। আটককৃতরা হলেন সমলা আক্তার (৬০), সাদ্দাম হোসেন (২৯) শফিকুল ইসলাম(৩৫) তবে আটককৃতদের ব্যাপারে পুলিশ স্বীকার করে নাই