করোনা উপসর্গ নিয়ে জনতা ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু

প্রকাশিত: 6:08 PM, May 21, 2020

জাগ্রত বাংলাদেশ

করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে জনতা ব্যাংকের লোকাল অফিসের এক কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) ভোররাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। ব্যাংক লোকাল অফিসার মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মোবারক হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া তিনিই জনতা ব্যাংকের প্রথম কর্মকর্তা।

মৃত ব্যাংক কর্মকর্তার নাম হাসিবুর রহমান। তিনি জনতা ব্যাংকের লোকাল অফিসের অ্যাডমিন শাখায় কর্মরত ছিলেন

ব্যাংক কতৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, ব্যাংকের এই শাখায় কিছুদিন আগে আরেক কর্মকর্তা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় শাখাটি ১৪ দিন লকডাউন করা হয়েছিল। আক্রান্ত কর্মকর্তার পাশেই বসতেন হাসিবুর রহমান।

লোকাল অফিসার মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মোবারক হোসেন বলেন, ‘বিভাগের এক কর্মকর্তার দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়।  ফলে নিয়মানুযায়ী, বিভাগটি লকডাউন করা হয়। কিন্তু হাসিবের বিষয়টি বুঝতে পারছি না। তার শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে করোনা পরীক্ষার জন্য দেওয়া হয়েছে। ফলাফল আসলে সব বোঝা যাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘করোনাভাইরাসের সবগুলো লক্ষণ হাসিবের শরীরে ছিল। তার মতো কর্মঠ ব্যাংকারের অকাল প্রয়াণে আমরা শোকাহত। তার পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।’

গত রবিবার থেকে তার দেহে করোনার লক্ষণগুলো তীব্র হতে থাকে। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার রাতে পুরান ঢাকার বাসায় তাকে অক্সিজেন দেওয়া হয়। রাত ১২টার দিকে তার জ্বর, ডায়রিয়া, শ্বাসকষ্ট তীব্র হয়। পরে তাকে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে।

এদকে জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তাসহ সারা দেশে ব্যাংকারের মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো পাঁচজনে। অন্য মৃতদের মধ্যে রয়েছেন- সোনালী ব্যাংকের একজন, রূপালী ব্যাংকের একজন ও দি সিটি ব্যাংকের দুই কর্মকর্তা।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যাংকারের সংখ্যা মোট ৫৬ জন। তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তারা।